রিয়াদ মাহরেজের হ্যাটট্রিকে বার্নলিকে উড়িয়ে দিলো ম্যানচেস্টার সিটি। ঘরের মাঠ ইতিহাদে ৫-০ গোলে জয় পায় সিটিজেনরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শেষ সাত ম্যাচে ম্যাচেস্টার সিটির বিপক্ষে হারের তিক্ত স্বাদ পেলো দ্যা ক্লারেটসরা।
ইতিহাদে ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই গোল করে সিটিজেনদের এগিয়ে নিয়ে যান এই আলজেরিয়ান মিডফিল্ডার। ম্যাচ শুরু ষষ্ঠ মিনিটে আর ২২তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন মাহরেজ। ম্যানসিটির হয়ে ৬০ ম্যাচ পর গোলের দেখান পান বেনজামিন ম্যান্ডি। বিরতিতে যাওয়ার আগে ৪১ তম মিনিটে তৃতীয় গোল করে বার্নলিকে চাপে ফেলেন ফরাসি লেফটব্যাক বেনজামিন ম্যান্ডি। ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে গোল ব্যাবধান ৪-০ করেন স্প্যানিশ উইঙ্গার ফেরান তোরেস। এর তিনমিনিট পরই হ্যাটট্রিক পূর্ন করেন আলজেরিয়ান তারকা মাহরেজ।
তাতে ৫-০ গোলে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেন পেপ গার্দিওলার শির্ষ্যরা। তবে ব্যবধানটা আরো বড় হতে পারতো যদি কিনা তোরেজ ও গ্যাব্রিয়েল জেসুসের দুটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল না হতো।
ম্যাচ জয়ের পর ম্যানচেস্টার সিটি কোচ গার্দিওলা বলেন, 'প্রিমিয়ার লিগ জয়ের জন্য এটা খুব দরকার ছিল। আমরা ৯০ মিনিটই নিজেদের খেলা ধরে রাখতে পেরেছি। এটা সহজ ছিল না। সব সময়ই আরো ভালো খেলার চেষ্টা করছি।
ম্যাচ হারের পর বার্নলি কোচ শন ডাইক বলেন, 'আমরা আমাদের প্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আমরা আমাদের ভুলের জন্যই ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়েছি। তারা (সিটিজেরনা) দূর্দান্ত খেলেছে, যা আমাদের জন্য ম্যাচটা কঠিন করে দিয়েছে।'
বার্নলির এই ইংলিশ কোচ আরো বলেন, 'আমাদের দলে অনেক খেলোয়াড়ই ইনজুরিতে রয়েছে। সবকিছু সেড়ে উঠতে আরো কয়েক সপ্তাহ লাগবে।'
ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে শেষ সাতবারের দেখায় মোট ২৮টি গোল হজম করতে হয়েছে বার্নলিকে। আর টানা ১০ম্যাচে হার দেখলো দ্যা ক্লারেটসরা। আর প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা চার ম্যাচের ৫ বা এর অধিক গোলের রেকর্ড গড়লো সিটি। এর আগে ১৮৯৩ সালে নটস কাউন্টি এ কৃতীত্ব দেখায়া।
৯ ম্যাচে ৪ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার অষ্টম অবস্থানে রয়েছে সিটিজেনরা। আর ৬ হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ১৮তম স্থানে রয়েছে বার্নলি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন